নিজস্ব প্রতিবেদক, নাজমুল আলম মাসুদ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের জয়পুরা সংলগ্ন কেলিয়া ব্রিজ এলাকায় গভীর রাতে মহাসড়কের ওপর বিপুল পরিমাণ মাটি ফেলে রাস্তা অবরোধ করার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। মরণ ফাঁদে পরিণত হয় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক।  এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

​স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র কোনো অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে মহাসড়কের ওপর স্তূপ করে মাটি ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা।

​ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল আমিন খান-এর নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল, পুলিশ সদস্যরা এবং মাটি বহনকারী ট্রাকের শ্রমিকরা যৌথভাবে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর রাস্তা থেকে মাটি সরিয়ে নিলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

​স্টেশন অফিসার আল আমিন খান জানান, রাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে কেলিয়া ব্রিজের ওপর মাটি ফেলে মহাসড়ক পুরোপুরি ব্লক করে দেওয়া হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো অসাধু চক্র অসৎ উপায় অবলম্বন বা বড় ধরনের কোনো অঘটন ঘটানোর লক্ষ্যেই এই কাজ করেছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
​বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখবেন প্রশাসন।

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘটনা এর আগেও বহুবার ঘটেছে। এসব মাটি ব্যবসায়ীদের জন্য ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে বাসট্রাক সহ বিভিন্ন যানবাহন। অকালে ঝরে যাচ্ছে নিষ্পাপ মানুষের প্রাণ। তাই এ সমস্ত মাটি খেকুদের হাত থেকে নিষ্পাপ প্রাণ গুলো বাঁচাতে মাটির গাড়িগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মাটির ব্যবসায়ীদের মাটির ব্যবসা বন্ধ করতে পারলে হয়তোবা নিষ্পাপ প্রাণ গুলো বেঁচে যাবে। মহাসড়কের মাটি ব্যবসায়ীদের জন্য মহাসড়কের দুর্ঘটনা শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। তাই প্রশাসনসহ সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে এই অবৈধ মাটির ব্যবসা বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।