ঢাকা , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ধামরাইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ধামরাইয়ে ৬৩ বোতল মাদকসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হারুন গ্রেফতার ধামরাইয়ে রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ধামরাই সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের মাসিক আলোচনা সভা সম্পন্ন ঢাকা – আরিচা মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। ঢাকা – আরিচা মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত ধামরাইবাসীর আস্থার প্রতীক ৪ কর্মকর্তা, অপরাধীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন শুভ উদ্বোধন ধামরাইয়ে ৪২৫০ জন শিক্ষার্থী পেল খাতা কলম
নোটিশ :

ধামরাইয়ে গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দম্পতি দগ্ধ, স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক,নাজমুল আলম মাসুদ।

​ঢাকার ধামরাইয়ে একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে স্ত্রীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণ নগর মহল্লার বাসিন্দা বাদশা মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে রান্নাঘরে চা তৈরি করতে গিয়ে চুলা জ্বালানোর সাথে সাথে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং জানালার কাঁচসহ ঘরের আসবাবপত্র চুরমার হয়ে যায়।

​আহতদের পরিচয় ও বর্তমান অবস্থা, বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন বাড়ির মালিক বাদশা মিয়া (৫৫) এবং তার স্ত্রী সুমনা বেগম (৪৫)। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

​হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ সুমনা বেগমের শরীরের প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

​ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য,
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ আল আমিন খান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে রান্নাঘরের গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। দীর্ঘক্ষণ দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ঘরটিতে প্রচুর গ্যাস জমে গিয়েছিল, যা আগুনের সংস্পর্শে আসতেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়। বর্তমানে ওই বাড়ির গ্যাস রাইজার ও লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
​এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বা লাইনের সংস্কার না থাকাকেই এমন দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা

ধামরাইয়ে গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দম্পতি দগ্ধ, স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,নাজমুল আলম মাসুদ।

​ঢাকার ধামরাইয়ে একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে স্ত্রীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণ নগর মহল্লার বাসিন্দা বাদশা মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে রান্নাঘরে চা তৈরি করতে গিয়ে চুলা জ্বালানোর সাথে সাথে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং জানালার কাঁচসহ ঘরের আসবাবপত্র চুরমার হয়ে যায়।

​আহতদের পরিচয় ও বর্তমান অবস্থা, বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন বাড়ির মালিক বাদশা মিয়া (৫৫) এবং তার স্ত্রী সুমনা বেগম (৪৫)। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

​হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ সুমনা বেগমের শরীরের প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

​ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য,
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ আল আমিন খান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে রান্নাঘরের গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। দীর্ঘক্ষণ দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ঘরটিতে প্রচুর গ্যাস জমে গিয়েছিল, যা আগুনের সংস্পর্শে আসতেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়। বর্তমানে ওই বাড়ির গ্যাস রাইজার ও লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
​এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বা লাইনের সংস্কার না থাকাকেই এমন দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।