
নিজস্ব প্রতিবেদক, নাজমুল আলম মাসুদ।
একসময়ের অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত ঢাকার ধামরাই উপজেলায় এখন বইছে শান্তির বাতাস। আর এই ইতিবাচক পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন চারজন আপসহীন ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব। ধামরাই-২০ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ তমিজ উদ্দিনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং প্রশাসনের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার সমন্বিত ও কঠোর অবস্থানের কারণে ধামরাই এখন অপরাধীদের জন্য এক আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে।
ধামরাইবাসীর নিরাপত্তা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এই ৪জন বীর। এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের দেখছেন আস্থার প্রতীক হিসেবে, আর অপরাধ চক্রের কাছে তারা যেন এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
আলহাজ্ব মোঃ তমিজ উদ্দিন (মাননীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা-২০)
নেতৃত্বের বাতিঘর ও ধামরাইবাসীর অভিভাবক
ধামরাইয়ের সামগ্রিক শান্তি-শৃঙ্খলার মূল চালিকাশক্তি হলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ তমিজ উদ্দিন। মাদক, সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি ধামরাইকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার শতভাগ স্বাধীনতা দিয়েছেন। কোনো অপরাধীকে তিনি বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। তাঁর এই সততা ও বজ্রকঠিন অবস্থানের কারণেই সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এক আস্থার নাম।
আল মামুন (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
উন্নয়ন ও সুশাসনের রূপকার
ধামরাই উপজেলার প্রশাসনিক অভিভাবক ইউএনও মোঃ আল মামুন মাঠপর্যায়ে সরকারের সুশাসন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, ভেজাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ সরাসরি শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তিনি ধামরাইবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁর সুদক্ষ প্রশাসনিক নজরদারির ফলে ধামরাইয়ের সরকারি দপ্তরগুলো এখন দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব।
মোঃ রিদওয়ান আহমেদ রাফি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
ভূমিদস্যুদের যম ও আইনের অতন্দ্র প্রহরী
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রিদওয়ান আহমেদ রাফি ধামরাইয়ে যোগদানের পর থেকেই অবৈধ ভূমি দখলদার ও নদীখেকোদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বালু মহল, অবৈধ ইটভাটা ও সরকারি জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে তার একের পর এক আপসহীন ও ঝটিকা অভিযান ধামরাইয়ের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে তিনি সাধারণ মানুষের হৃত সম্পত্তি ফিরিয়ে দিচ্ছেন, যা তাকে ব্যাপক সমাদৃত করেছে।
নাজমুল হুদা খান (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ধামরাই থানা
আইন-শৃঙ্খলার অতন্দ্র প্রহরী
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খানের নেতৃত্বে পুলিশি সেবার মান এখন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, ডাকাত ও চাঁদাবাজদের দমনে তিনি এক আপসহীন নাম। তাঁর কঠোর ও দক্ষ আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ফলে ধামরাইয়ের সাধারণ মানুষ এখন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছে। থানায় এসে সাধারণ মানুষ যেন কোনো হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও তিনি কঠোরভাবে নিশ্চিত করেছেন।
ধামরাইয়ের সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, বর্তমান সংসদ সদস্যের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মাঠপর্যায়ে ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ওসির চমৎকার সমন্বয়ের কারণেই ধামরাই আজ একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ উপজেলা। অপরাধীরা হয় ধামরাই ছেড়ে পালাচ্ছে, না হয় অপরাধ পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
ধামরাইবাসী মনে করেন, এই ৪ জন সৎ ও কর্মঠ ব্যক্তির যুগপৎ প্রচেষ্টায় ধামরাই আগামী দিনে দেশের মধ্যে একটি মডেল ও অপরাধমুক্ত উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাজমুল আলম মাসুদ 









